পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১০ডিগ্রির ঘরে কনকনে শীতে কাবু জেলাবাসী
পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা ১০ডিগ্রির ঘরে উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড় ঘন কুয়াশায় মোড়ানো। কনকনে শীতে একেবারে কাবু হয়ে পড়ছে স্থানীয় জনজীবন। রাত জোরে টিপ টিপ কুয়াশা পড়ায় ভোর থেকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীর গতিতে চলছে যানবাহন। প্রতিদিন কাজে বের হওয়া নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে। মাঝে মাঝে উত্তর দিক থেকে বয় আসা হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দেয়। এক সপ্তাহ ধরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে ওঠানামা করছে।।
আজ রোববার সাত ডিসেম্বর সকাল 9 টায় তেতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ১০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৯%। গত কাল তেতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০.৫° সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আজও একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ডিসেম্বরের বাকি দিনগুলোতে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে এবং তাপমাত্রা এক অংকে নেমে মৃদু থেকে মাঝারি সত্য প্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৭ মাত্রার ভূমিকম্প যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা
ধাক্কা মারার এলাকার পথচারী এডভোকেট আব্দুল বারী বলেন ঘন কুয়াশায় চারদিক ঢেকে গেছে। রাস্তাঘাট ভিজে কাদামাটির মত হয়ে আছে কনকনে ঠান্ডায় মানুষ কষ্টে আছে। বিত্তবানদের কাছে শীতবস্ত্র বিতরণের আহবান জানাই। আরেক পথচারী বলেন ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডায় শরীর জমে আসছে হাত পা অবশ হয়ে যাচ্ছে।
তেতুলিয়া প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ বলেন, ডিসেম্বর এর মধ্যভাগ বা শেষে তাপমাত্রা কম কে নেমে আসতে পারে। তখন মৃদু সত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক গাজী জামান বলেন, সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পাঁচটি উপজেলায় ৩০ লাখ টাকার শীতবস্তু বিতরণ করা হয়েছে।
আজকাল বাংলা