তফসিল ঘোষণার পর অনুমতি ছাড়া কোনো সভা সমাবেশ নয়

তফসিল ঘোষণার পর অনুমতি ছাড়া কোনো সভা সমাবেশ নয়, কয়েকদিনের মধ্যেই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ আন্দোলন পরিচালনা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছে অন্তরগতিকালীন সরকার।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাক সুষ্ঠু নিরপেক্ষ গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়। বর্তমানে এটাই অন্তত কালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীর সহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ যাতে নিশ্চিত হয় সেই জন্য কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর সহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। যা এযাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতিমধ্যেই রেকর্ড সংখ্যা পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যেকোনো ধরনের বেআইনি অনুমোদনহীন জনসমাবেশ জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা সমাবেশে অংশ নেবে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ লাঞ্ছিত তাসমিন যারার ক্ষোভ

এনসিপির আংশিক প্রার্থী তালিকা ঘোষণা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন আমরা জানি অনেকেরই ন্যায্য দাবি দেওয়া রয়েছে। সরকার ন্যায্য দাবিতে সব সময় সাড়া দিচ্ছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করছে।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো বলেন কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলে যা কিছু দাবি দেওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তরগতি কারীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব এই সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা শারীরিক পরিবেশ ভিন্ন করবেন না।

aajkal bangla